নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ২ ফাল্গুন ১৪২৪, ২৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৯
রূপা হত্যায় মৃত্যুদণ্ড
কলেজছাত্রী জাকিয়া সুলতানা রূপাকে চলন্ত বাসে ধর্ষণের পর হত্যা মামলার রায়ে বাসের চালকসহ চারজনকে মৃত্যুদ- এবং একজনকে সাত বছরের কারাদ- ও এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ছোঁয়া পরিবহণের যে বাসটিতে এ ঘটনা ঘটেছিল সেই বাসটি বাজেয়াপ্ত করে নিহতের পরিবারকে দেয়ারও নির্দেশ রয়েছে রায়ে। ঢাকার আইডিয়াল ল কলেজের ছাত্রী রূপা বগুড়ায় একটি পরীক্ষা দিয়ে গত বছরের ২৫ আগস্ট রাতে কর্মস্থল ময়মনসিংহে ফিরছিলেন। পথে আসামিরা তাঁকে ধর্ষণ ও হত্যার পর টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার পঁচিশ মাইল এলাকায় বনের মধ্যে ফেলে রেখে যায়। পরদিন লাশ উদ্ধারের পর পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা করে। ২৮ আগস্ট ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পাঁচ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ বছরের ৩ জানুয়ারি মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। ২৩ জানুয়ারি সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা শেষ হয় এবং গত ১২ ফেব্রুয়ারি সোমবার টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আবুল মনসুর মিয়া চাঞ্চল্যকর এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। দ্রুততম সময়ের মধ্যে মামলার রায় ঘোষিত হওয়ায় নিহতের পরিবারসহ অনেকেই সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

রূপার নৃশংস হত্যাকা-ের খবর গণমাধ্যমে আসার পর সারা দেশের বিবেকবান প্রতিটি মানুষ রীতিমতো স্তম্ভিত হয়ে পড়েছিলেন। ধিক্কার জানিয়েছিলেন এই নরপশুদের প্রতি। একই সঙ্গে চলাচলের ক্ষেত্রে নারীদের নিরাপত্তাহীনতা দেখে অনেক অভিভাবক ও পরিবার শঙ্কিতও হয়েছিলেন। দ্রুততম সময়ের মধ্যে এমন একটি জঘন্য হত্যাকা-ের বিচার সম্পন্ন হওয়ায় তাঁরা কিছুটা হলেও স্বস্তি পেয়েছেন। তাঁদের প্রত্যাশা হলো দ্রুত বাকি আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে রায় কার্যকর করা, যাতে এ ধরনের অপরাধপ্রবণ লোকজনের কাছে একটি কার্যকর বার্তা পৌঁছায়। রূপাই প্রথম নয়, এর আগেও চলন্ত বাসে ধর্ষণ ও হত্যার অনেক ঘটনা ঘটেছে। আগের প্রতিটি ঘটনায় যদি দ্রুততম সময়ে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা যেত তাহলে হয়তো রূপার হত্যাকারীরা এতটা সাহস পেত না। রূপার মতো আরো অনেকেই হয়তো এমন নিষ্ঠুর পরিণতি থেকে রক্ষা পেত। আমরা চাই, ভবিষ্যতে আর কোনো ধর্ষক ও হত্যাকারী যেন এমন ঘটনা ঘটানোর সাহস না পায় তা নিশ্চিত করা হোক। আর এ জন্যই ঘটনাটি মানুষের স্মৃতিতে থাকতে থাকতে রায় দ্রুত কার্যকর হওয়া প্রয়োজন। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আরো তৎপর হোক। আইনি প্রক্রিয়া দ্রুততর হোক এবং এ জাতীয় অপরাধ প্রতিরোধে সমাজ জেগে উঠুক। শাস্তির ভয় না থাকলে বা কম থাকলে অপরাধীরা বেশি সক্রিয় হয়ে ওঠে। বাস্তবে দেখা যায়, অনেক মামলার বিচারপ্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে ১০ বছরেরও বেশি সময় লেগে যায়। আলামত নষ্ট হওয়া, সাক্ষী না পাওয়াসহ নানা কারণে অনেক অপরাধী পারও পেয়ে যায়। কোনো অপরাধীর শাস্তি হলেও মানুষের স্মৃতি থেকে তখন সেই ঘটনার রেশ হারিয়ে যায়। ফলে সেগুলো অপরাধীদের কঠিন বার্তা দিতে সক্ষম হয় না। আমরা চাই, ধর্ষণ ও হত্যার মতো জঘন্য অপরাধের বিচারে তার ব্যতিক্রম তৈরি হোক।
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীআগষ্ট - ২০
ফজর৪:১৬
যোহর১২:০২
আসর৪:৩৬
মাগরিব৬:৩১
এশা৭:৪৭
সূর্যোদয় - ৫:৩৬সূর্যাস্ত - ০৬:২৬
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৪৬০৫.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.