নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ২ ফাল্গুন ১৪২৪, ২৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৯
দারিদ্র্য দূর করতে গ্রামীণ অর্থনীতিতে বিনিয়োগ করুন : প্রধানমন্ত্রী
রোম থেকে বাসস
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দারিদ্র্য ও ক্ষুধা দূর করতে গ্রামীণ অর্থনীতিতে বিনিয়োগের জন্য উন্নয়ন সহযোগীদের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি গতকাল মঙ্গলবার সকালে ইন্টারন্যাশনাল ফান্ড ফর এগ্রিকালচার ডেভেলপমেন্ট (ইফাদ)-এর ৪১তম পরিচালনা পরিষদের সভার উদ্বোধনী অধিবেশনে মূল বক্তব্য দানকালে এই আহ্বান জানান।

শেখ হাসিনা বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার জন্য গ্রামীণ অর্থনীতিতে বিনিয়োগ একটি প্রধান বিবেচ্য বিষয় এবং বিশ্বব্যাপী অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতা ছাড়া এটি অর্জন করা যাবে না। তিনি বলেন, দারিদ্র্য ও ক্ষুধা দূরীকরণে উন্নয়ন সহযোগীদের আরো একটু উদার হতে হবে। অধিবেশনের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল 'ফ্রাজিলিটি টু লং টার্ম রেসিলেন্স : ইনভেস্ট ইন সাসটেইনেবল রুরাল ইকোনোমি।' এসময় তিনি বাংলাদেশ ও উন্নয়ন সহযোগীদের মধ্যে সহায়তা অব্যাহত থাকার ব্যাপারে আশা প্রকাশ করে বলেন, অগ্রগতির এই ধারা অব্যাহত রাখতে ইফাদ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে আমাদের প্রত্যাশা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইফাদ-এর সহায়তার ও সহযোগিতার মডেলটি জাতিসংঘের অন্যান্য সংস্থা থেকে অনেক ভিন্ন। ইফাদ-এর এই মডেলটি মানবতায় এখনকার মতে অনাগত দিনগুলোতেও কাজ করে যাবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতা স্থাপন ছাড়া টেকসই উন্নয়ন অর্জন করা যাবে না। গ্রামীণ সামাজিক ও জলবায়ুগত স্থিতিশীলতার উন্নয়নে একটি ব্যাপকভিত্তিক টেকসই গ্রামীণ অর্থনীতি প্রয়োজন। শেখ হাসিনা টেকসই গ্রামীণ অর্থনীতি তৈরিতে বিনিয়োগের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদীভাবে স্থিতিশীলতা আনার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, প্রায় এক দশক ধরে সুশাসন থাকায় বাংলাদেশ ভাগ্যবান। তিনি বলেন, আমরা সতর্কতার সাথে চার বছরের আর্থসামাজিক প্রবৃদ্ধি হিসেব করে আমাদের কৌশল নির্ধারণ করেছি এবং গত নয় বছর ধরে এটি বাস্তবায়নের চেষ্টা করছি। আমরা খুবই সতর্কতার সঙ্গে পারিপার্শিক অবস্থা বিবেচনা করে চাহিদা ও প্রয়োজনের মধ্যে সমন্বয় করেছি। শেখ হাসিনা বলেন, ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের রিপোর্ট অনুযায়ী ২০৫০ সাল নাগাদ বিশ্বের জনসংখ্যা ৯ বিলিয়ন ছাড়িয়ে যাবে এবং এর অর্ধেক হবে মধ্যবিত্ত। এর ফলে বিশ্বের আবাদী জমি, বনভূমি এবং পানির ওপর প্রবন্ড চাপ পড়বে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সমুদ্রপৃষ্ঠের পানির উচ্চতা বৃদ্ধিতে অনেক দেশের আবাদী জমি ব্যাপকভাবে হরাস পাবে এবং 'সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিতে ছাড়াই আমরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবো।' শেখ হাসিনা বলেন, ২০৫০ সালে বিশ্বের খাদ্য চাহিদা ২০০৬ সালের অবস্থান থেকে অন্তত ৬০ শতাংশ ছাড়িয়ে যাবে এবং খাদ্য মূল্য বৃদ্ধি পেয়ে ৮৪ শতাংশ দাঁড়াতে পারে।

তিনি বলেন, আমরা কিভাবে এ ধরনের বিরূপ পরিস্থিতি মোকাবেলা করবো? আমি আপনাদের আমার দেশের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে কৃষি প্রবৃদ্ধির কথা তুলে ধরবো, যা আমরা বৈশ্বিক পর্যায়ে মানব উন্নয়নের জন্য অন্যান্য দেশ গ্রহণ করতে পারে অথবা আরো কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করতে পারি। তিনি বলেন, আমরা আরেকটি ১৯৮১ সালের মুখোমুখি হতে চাই না, তখন আমরা বুঝতে পারি কৃষি প্রবৃদ্ধিকে উপেক্ষা করা মানবজাতির জন্য অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।

প্রথমে আমি আপনাদের বলবো, প্রতিবছর জলবায়ুর বিরুপ প্রভাবের কারণে দেশে খাদ্য সংকট এবং খাদ্য উৎপাদন হরাসের যে কোন সংকট মোকাবেলায় বাংলাদেশী জনগণ স্বাভাবিকভাবে সক্ষম।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংকটের মোকাবেলায় বাংলাদেশীরা আস্থার সঙ্গে শক্তভাবে লড়াই করে সমস্যার সমাধান এবং সংকট কাটিয়ে উঠতে বিকল্প উপায় গ্রহণের মাধ্যমে সফলতা অর্জন করে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ প্রায় এক দশক ধরে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং চলতি বছর অসময়ে বার বার বন্যার কারণে অপ্রত্যাশিতভাবে খাদ্য ঘাটতি দেখা দিয়েছিলো।

শেখ হাসিনা বলেন, এই ঘাটতি মোকাবেলায় গ্রাহকদের কাছে পর্যাপ্ত খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে সাথে সাথেই খাদ্য আমদানি নীতি গ্রহণ করা হয়। তিনি বলেন, আপনারা নোট রাখতে পারেন যে, আমরা খাদ্য উৎপাদন ১৯৭১ সালের ১১ মিলিয়ন টন থেকে ২০১৭ সালে ৩৯ মিলিয়ন টনে উন্নীত করেছি। যদিও এসময় এক-তৃতীয়াংশ আবাদী জমি হারিয়েছি।

২০০৮ সালে খাদ্য উৎপাদন ৯ মিলিয়ন টন বৃদ্ধি পেয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটি সম্ভব হয়েছে সরকার কৃষকদের বিপুল ভর্তুকি, সহজ শর্তে ও সুদমুক্ত ঋণ প্রদানসহ কৃষকদের কাছে কৃষি উপকরণ পৌঁছানের কারণে।
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীমে - ২২
ফজর৩:৪৮
যোহর১১:৫৫
আসর৪:৩৪
মাগরিব৬:৪০
এশা৮:০১
সূর্যোদয় - ৫:১২সূর্যাস্ত - ০৬:৩৫
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৩৭৪৩.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.