নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, মঙ্গলবার ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ৩০ মাঘ ১৪২৫, ৬ জমাদিউস সানি ১৪৪০
ডিএনসিসি উপ-নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী আতিকুলের প্রচারণা শুরু
বিরামহীন নির্বাচনী প্রচারণায় প্রার্থীরা
সফিকুল ইসলাম
অনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনের প্রচার শুরু করেছেন (ডিএনসিসি) আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী মো. আতিকুল ইসলাম। বসে নেই ঢাকা উত্তর-দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলরও। গত রোববার আনুষ্ঠানিভাবে মেয়র, কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলদের প্রতীক বরাদ্দ দেয় নির্বাচন কমিশন ইসি। গতকাল সোমবার সকালে রাজধানীর উত্তরখানের শাহ কবির মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন মেয়র প্রার্থী মো. আতিকুল ইসলাম। একইভাবে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের (ডিসিসি) উত্তর ও দক্ষিণের নতুন ৩৬টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থীরা নিজ নিজ এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন।

গত রোববার সকালে ডিএনসিসির রিটার্নিং কর্মকর্তা আবুল কাসেম ৫ মেয়র প্রার্থীর মাঝে প্রতীক বরাদ্দ করেন। তাদের মধ্যে-আওয়ামী লীগের প্রার্থী মো. আতিকুল ইসলাম (নৌকা), জাতীয় পার্টির শাফিন আহমেদ (লাঙ্গল), প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দল (পিডিপি) থেকে শাহিন খান (বাঘ), ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) আনিসুর রহমান দেওয়ান (আম) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী নর্থ সাউথ প্রপার্টিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. আব্দুর রহিম (টেবিল ঘড়ি) প্রতীক পেয়েছেন। প্রসঙ্গত, দুই সিটিতে ২০১৭ সালে ১৮টি করে ৩৬টি নতুন ওয়ার্ডযুক্ত হলে এই ওয়ার্ডগুলোতে নির্বাচন করা হচ্ছে। মেয়র পদে শূন্য আসনে উপ-নির্বাচন ৩৬টি নতুন ওয়ার্ডে সাধারণ নির্বাচন করতে ২০১৮ সালের ৯ জানুয়ারি ডিএনসিসি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে ইসি। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী গত বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি ভোট গ্রহণের কথা ছিল। কিন্তু গত বছরের ১৭ জানুয়ারি এই নির্বাচন তিন মাসের জন্য স্থগিতের আদেশ দেন হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ। পরে চলতি বছরের ১৬ জানুয়ারি স্থগিতের আদেশ খারিজ করে দেন হাইকোর্ট। এরপর গত ২২ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন (ইসি) নতুন তফসিল ঘোষণা করে। তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি ডিএনসিসি মেয়র ও দুই সিটির ১৮টি করে ৩৬টি ওয়ার্ডে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

জানা গেছে, ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের (ডিসিসি) উত্তর ও দক্ষিণের নতুন ৩৬টি ওয়ার্ডের নির্বাচনকে সামনে রেখে মাঠে প্রচার-প্রচারণায় নেমে পড়েছেন কাউন্সিলর প্রার্থীরা। গত রোববার প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দের পর তাদের এই প্রচার ও গণসংযোগ শুরু হয়েছে। সেইসাথে কাউন্সিলর পদে দলীয় সমর্থন নিশ্চিত করতে নানামুখী তদবির ও লবিং চলছে রাজনৈতিক দলগুলোর সম্ভাব্য প্রার্থীদের।

এদিকে ডিসিসি উত্তর ও দক্ষিণ অংশের ৩৬টি ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ থেকে গড়ে ৪-৬ জন করে সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থী মাঠে রয়েছেন। সংরক্ষিত ১২টি ওয়ার্ডের নারী কাউন্সিলর পদের প্রায় অর্ধশত নারী নেত্রী সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে জোর তদবির-লবিংয়ের পাশাপাশি নির্বাচনী তৎপরতা চালাচ্ছেন। এ হিসাবে কেবল সরকারি দল থেকেই চারশ'র বেশি সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থী এখন নির্বাচনী মাঠে সক্রিয়। আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় বিদায়ী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এবং বিদায়ী ইউপি মেম্বারদের সংখ্যাই বেশি। ইউনিয়ন ভেঙে সিটি কর্পোরেশনের নতুন ওয়ার্ড গঠিত হওয়ায় এসব জনপ্রতিনিধি এবার কাউন্সিলর নির্বাচন করার দিকে ঝুঁকেছেন। এ ছাড়া দল, সহযোগী-ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের মহানগর, থানা ও সদ্য সাবেক ইউনিয়ন নেতারাও দলীয় সমর্থন প্রত্যাশী। প্রায় সবাই নানা তদবির-লবিংয়ের পাশাপাশি দলের কেন্দ্রীয় ও নগরের প্রভাবশালী নেতাদের সাথে দেখা-সাক্ষাৎ করে দলীয় সমর্থন লাভের চেষ্টা করছেন। তবে সরকারি দলটি এবার মেয়র প্রার্থী ছাড়া বাকি ওয়ার্ডভিত্তিক কাউন্সিলর প্রার্থী উন্মোক্ত করে দেয়ায় অনেকেই বিপাকে রয়েছেন। সরেজমিনে দেখা গেছে, ডিএনসিসি ও ডিএসসিসি-উভয় অংশের প্রতিটি ওয়ার্ডেই কাউন্সিলর প্রার্থীদের পোস্টার, ব্যানার ও বিলবোর্ডে ছেয়ে গেছে রাজধানীর অলিগলি। নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন স্থানে ভোটারদের দৃষ্টি কাড়তে দেয়া হচ্ছে উন্নয়নমূলক নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ছবিসহ এসব পোস্টার, ব্যানার ও ফেস্টুন টানানো হয়েছে। কেউ কেউ আবার বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামসহ এলাকার উন্নয়নে নিজের ভূমিকা তুলে ধরে লিফলেট প্রকাশ করে ভোটারদের সহানুভূতি আদায়ের চেষ্টা করছেন। প্রার্থীদের বেশিরভাগই ভোট চেয়ে এলাকাবাসীর সাথে গণসংযাগ ও মতবিনিময়, গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন এবং দুস্থদের মধ্যে দান-খয়রাতের মাধ্যমে ব্যস্ত সময় পার করছেন। নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা এবং প্রতীক বরাদ্দের পর সব এলাকাতেই এখন নির্বাচনী হাওয়া বইছে। ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘোরা, সভা-সমাবেশ, মিছিল বা মাইকে প্রচারণা এই ছিল চিরাচরিত নির্বাচনী প্রচার কৌশল। কিন্তু এখন অনেক নতুন অনুষঙ্গ যুক্ত হয়েছে। অনলাইনের কল্যাণে ভিন্ন মাত্রা যোগ হয়েছে নির্বাচনী প্রচারণায়। এখন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে না গিয়েও তাদের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে প্রার্থীদের বার্তা। অনলাইন খুঁজে দেখা গেছে, সবারই ফেসবুক পেজ আছে। এসব পেজে নির্বাচন উপলক্ষে ভোটারদের কাছে ভোট চাওয়ার পাশাপাশি নিজের সমাজ সেবামূলক কার্যক্রমও তুলে ধরা হয়েছে। এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের ঢাকা মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান জানান, উত্তরের নতুন ১৮টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে দলসমর্থিত প্রার্থী না থাকায় আমাদের কোনো নির্দেশনা নেই। আর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ বলেন, আওয়ামী লীগ একটি বড় দল। সেই ক্ষেত্রে প্রার্থীদের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে বেশি হবে- এটিই স্বাভাবিক। তবে এবার দল সমর্থিত প্রার্থী না থাকায় স্বতন্ত্র হিসেবে অনেকেই নির্বাচন করছেন।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীঅক্টোবর - ২৭
ফজর৪:৪৫
যোহর১১:৪৩
আসর৩:৪৬
মাগরিব৫:২৭
এশা৬:৪০
সূর্যোদয় - ৬:০১সূর্যাস্ত - ০৫:২২
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
১৩২০১.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.