নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, মঙ্গলবার ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ৩০ মাঘ ১৪২৫, ৬ জমাদিউস সানি ১৪৪০
চনপাড়ার কিশোর আসলাম হত্যার আসামিরা বীরদর্পে ঘুরছে নিরাপত্তাহীনতায় পরিবার
রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি
রূপগঞ্জের চনপাড়া পুনর্বাসন কেন্দ্রের কিশোর আসলাম হত্যার আসামীরা এখনো অধরা। হত্যাকান্ডের পর থেকে আসামীরা বীরদর্পে এলাকায় ঘুরে বেড়ালেও পুলিশ রহস্যজনক কারণে তাদের গ্রেপ্তার করছে না বলে অভিযোগ রয়েছে। পরিবারটির অভিযোগ, কিলিং মিশনে ৫ জন জড়িত থাকলেও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এজাহারে দুজনকে আসামী করেছেন। মামলা তুলে না নিলে পরিবারের সবাইকে আসলামের পরিণতি করা হবে এই মর্মে সোমবার সকালে সন্ত্রাসীরা নিহতের পরিবারকে হুমকি দিয়েছে। হত্যাকারীদের ভয়ে নিহতের পরিবারটি চরম নিরপত্তাহীনতায় ভুগছে। নিহতের পরিবার অভিযোগ করে বলেন, গত ৪ মাস আগে নবকিশলয় উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়ুয়া এক শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানি করার প্রতিবাদ করায় চনপাড়া পুনর্বাসন কেন্দ্রের মাদক কারবারী মেহেদী হাসান, তার সহযোগী লিমন মিয়া, হেলাল মিয়া, সুমন মিয়া ও মনির হোসেন আসলাম মিয়াকে বেধড়ক পেটায়। এর জেরেই ঐদিন সন্ধ্যায় আসলাম ও তার কয়েকজন বন্ধু মিলে মেহেদী হাসানকে বেধড়ক মারধর করে। এরপর ভয়ে আসলাম এলাকা ছেড়ে চলে যায়। বিষয়টি নিয়ে আপোষ করার জন্য আসলামের পরিবার বহু চেষ্টা করে। কিন্তু মেহেদী হাসান ও তার লোকজন আপোসে রাজি না হয়ে উল্টো আসলামকে দেখে নেয়ার হুমকি দেয়। নিহতের বোন আসমা আক্তার বলেন, স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে গত ১১ জানুয়ারি আসলামকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনা হয়। ফিরে আসার একদিন পর ১২ জানুয়ারি দিনেদুপুরে ৮নং ওয়ার্ডের বোরহান মিয়ার চায়ের দোকানের সামনে মেহেদী হাসান ও তার সহযোগীরা আসলামের উপড় অতর্কিত হামলা চালায়। একপর্যায়ে তাকে বেধড়ক ছুরিকাঘাত করে। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। হত্যাকা-ের ঘটনায় নিহতের বোন আসমা আক্তার বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় ৫ জনকে আসামী করে মামলা করতে গেলে তদন্তকারী কর্মকর্তা দু'জনকে আসামী করে মামলা নেন। এদিকে মামলা দায়েরের পর থেকে আসামীরা এলাকায় বীরদর্পে ঘুরে বেড়ালেও পুলিশ রহস্যজনক কারণে তাদের গ্রেফতার করছে না। স্থানীয়রা জানান, আসামীরা মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। এছাড়া চুরি, ছিনতাই করে থাকে। রূপগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল হক বলেন, পুলিশ আসামী গ্রেফতারের চেষ্টা চালাচ্ছে। অভিযুক্ত তিনজনের নাম এজাহারে অন্তভুক্ত করতে তদন্তকারী কর্মকর্তার অনীহা প্রকাশের বিষয়টি বললে তিনি বলেন, আমার জানা নেই। যদি এমনটি হয়ে থাকে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীঅক্টোবর - ২৭
ফজর৪:৪৫
যোহর১১:৪৩
আসর৩:৪৬
মাগরিব৫:২৭
এশা৬:৪০
সূর্যোদয় - ৬:০১সূর্যাস্ত - ০৫:২২
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
১৩২১৫.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.