নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, মঙ্গলবার ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ৩০ মাঘ ১৪২৫, ৬ জমাদিউস সানি ১৪৪০
রামগঞ্জে সড়কে অবৈধ ট্রলি ট্রাক্টরের অবাধ বিচরণ
আতঙ্কে পথচারীরা
রামগঞ্জ (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে ইট, বালু, মাটি বহনকারী অবৈধ ট্রলি ও ট্রাক্টরের দৌরাত্ম্য দিন দিন বেড়েই চলেছে। এদের বেপরোয়া গতিতে চলাচলের কারণে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। ফলে অকালেই ঝরে যাচ্ছে তরতাজা প্রাণ। কাউকে আবার সারাজীবনের মতো বরণ করতে হচ্ছে পঙ্গুত্ব। এছাড়া এগুলোর বিকট শব্দের কারণে ঘটছে শব্দদূষণও। ফলে পথচারীসহ জনসাধারণকে সার্বক্ষণিক আতংকের মধ্যে চলাচল করতে হচ্ছে। কিন্তু চোখের সামনে অবৈধ এই যানের অবাধ চলাচল দেখেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন না সংশ্লিষ্ট প্রশাসন। ফলে তাদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে উপজেলার সর্বত্র।

উচ্চ মাত্রার শব্দে ট্রলি চলাচলের কারণে অতিমাত্রায় শব্দ দূষণ হয়। যে কারণে সরকার ২০১০ সালে সারাদেশে সব ধরনের ট্রলি চলাচল অবৈধ ঘোষণা করে। এছাড়া ট্রলি আটক করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ারও নিদের্শ দেয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। কিন্তু সরকারের এই নির্দেশনাকে মানছে না কেউই।

একাধিক প্রয়োজনীয়তা ও আধুনিক প্রযুক্তিতে কৃষি জমি চাষাবাদের জন্য কৃষকের কাছে ট্রাক্টর খুবই জনপ্রিয়। দেশের কৃষি উন্নয়নে তথা চাষাবাদের কাজে ব্যবহার করার জন্যই সরকার বিদেশ থেকে ট্রাক্টর আমদানি করার অনুমতি দেয়।

সরকারি এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে এক শ্রেণীর আমদানিকারকরা অবাদে আমদানি করে ট্রাক্টর। আমদানিকারকরা এসব ট্রাক্টর বিক্রি করে ইটভাটার মালিক, কাঠ ব্যবসায়ীসহ সাধারণ পরিবহণ ব্যবসায়ীদের কাছে। ট্রাক্টর ও এর ড্রাইভারের জন্য কোনো লাইসেন্সের প্রয়োজন না হওয়ায় সহজেই এসব পরিবহণ কিনে আনে ব্যবসায়ীরা তারা এসব ট্রাক্টর কিনে কৃষি কাজের পরিবর্তে ব্যবহার করছে পরিবহণ কাজে। ফলে উপজেলায় ট্রাক্টরের সংখ্যা ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বিভিন্ন ইউনিয়নে তার ব্যাপক প্রভাব বিস্তার রয়েছে।

সরজমিনে ঘুরে দেখা যায়, চাষাবাদের জন্য আমদানিকৃত এই ট্রাক্টর অবৈধ ট্রলি-নছিমনসহ নানা পরিবহণে রূপান্তরিত হয়ে মানুষের সর্বনাশ করছে। আবাদি জমি ছেড়ে দাবড়ে বেড়াচ্ছে পৌরশহরসহ উপজেলার গ্রামীণ জনপদে কিংবা বাজার কেন্দ্রিক সড়কগুলোতে। ড্রাইভিং লাইসেন্সসহ অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা না থাকায় শিশু কিংবা কিশোররাও অদক্ষভাবে এসব ট্রাক্টর অবাধে চালাবার সুযোগ পাচ্ছে, ফলে প্রতিনিয়ত ঘটছে সড়ক দুর্ঘটনা।

উপজেলায় প্রতিদিন ১ হাজারের ও বেশি ট্রলি বিভিন্ন ধরনের মালামাল নিয়ে অবাধে চলাচল করছে। এসব যান দিয়ে সাধারণত হালচাষ করা হয় এ ধরনের যানবাহন নিয়ম মোতাবেক কৃষি জমিতে চাষাবাদের কাজে ব্যবহার হয়। বাংলাদেশ মোটরযান আইনে পাকা রাস্তায় চলাচলকারী যানবাহনের তালিকায় এর কোনো অস্তিত্ব নেই।

ট্রলির মালিক মোহর আলী জানান, মালিক সমিতিতে মোটা অংকের চাদা দিয়েই আমরা আমাদের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছি। কোথাও কোনো সমস্য হলে মালিক সমিতি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই সমস্য সমাধান করে।

অন্যদিকে ট্রলি মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন বিষয়টির সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমরা সবদিক ম্যানেজ করে আমাদের ব্যবসা করছি। এলাকার মাটির গঠন এমনিই যে ব্রিক ফিল্ডগুলোর মাটির যোগান দিতে বিকল্প কোনো পরিবহণও ব্যবহার করা যাচ্ছে না।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার মো. রিজাউল করিম বলেন, সড়কে ট্রাক্টরের চলাচল কিংবা পূর্ণ সামগ্রী বহনের অনুমতি নেই, শীঘ্রই ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ ব্যাপারে থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি তোতা মিয়া বলেন সড়ক নিরাপত্তার জন্য এসব অবৈধ যান চলাচল করতে দেয়া হবে না, প্রতিরোধে আমরা কাজ করছি।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীসেপ্টেম্বর - ১৬
ফজর৪:২৯
যোহর১১:৫৪
আসর৪:১৯
মাগরিব৬:০৫
এশা৭:১৮
সূর্যোদয় - ৫:৪৫সূর্যাস্ত - ০৬:০০
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৫২০৬.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.