নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, মঙ্গলবার ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ৩০ মাঘ ১৪২৫, ৬ জমাদিউস সানি ১৪৪০
পটিয়ায় বাইপাস ৫ কিলোমিটার সড়ক: বাঁচবে সময় কমবে যানজট
পটিয়া (চট্টগ্রাম) থেকে সেলিম চৌধুরী
চট্টগ্রামের পটিয়া পৌর সদরের ৫ কিলোমিটার বাইপাস সড়কের নির্মাণ কাজ শেষ পর্যায়ে। এতে করে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পটিয়ায় দীর্ঘদিনের যানজট থেকে মুক্তি পেতে ১০ বছর আগে নেয়া প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। পটিয়ার ইন্দ্রপুল থেকে কচুয়াই গিরিশ চৌধুরী বাজার পর্যন্ত ৫ কিলোমিটার বাইপাস সড়কটি চালু হলে সময় বাঁচবে ৩০ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টা। আগামী জুন মাসের আগে প্রকল্পের কাজ শেষ হলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাইপাসটি উদ্বোধন করবেন বলে জানিয়েছেন সড়ক ও জনপদ বিভাগ। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে পটিয়া পৌরসদর এলাকায় প্রশস্ত কম হওয়ায় ব্যস্ততম নগরীর প্রায় সময় যানজট লেগে থাকে। বিশেষ করে পটিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, উপজেলা পরিষদ, মুন্সেফ বাজার, পোস্ট অফিস মোড়, আদালত গেট, থানার মোড়, ডাকবাংলোর মোড়, বাসস্টেশন, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, পৌরসভা কমপ্লেক্স, চট্টগ্রাম পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর সদর দফতর, পটিয়া সরকারি কলেজ, পটিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, এ এস রাহাত আলী উচ্চ বিদ্যালয়, মোহছেনা মডেল সরকারি প্রাইমারি স্কুল, পটিয়া পিটিআই, শাহচান্দ আউলিয়া মাদ্রাসাসহ অসংখ্য ব্যাংকের শাখাসহ বেশিরভাগ গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান রয়েছে মহাসড়কের লাগোয়া। ফলে সবসময় অসংখ্য মানুষের চলাচল থাকে মহাসড়কটি ঘিরে। অন্যদিকে নানা আইনি জটিলতার কারণে দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির প্রশস্ততা বাড়াতে ব্যর্থ হচ্ছিল সড়ক ও জনপদ বিভাগ। এতে পর্যটন শহর কক্সবাজার, বান্দরবান পার্বত্য জেলাসহ দক্ষিণ চট্টগ্রামের ১০ রুটে চলাচলকারী যানবাহনগুলোকে যানজটের ভোগান্তিতে পোহাতে হয়। পটিয়া পৌর সদর অতিক্রম করতেই ৩০-৪০ মিনিট লেগে যেতো। তাই যানজট দূরীকরণের লক্ষ্যে ২০০৭ সালে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে সড়ক ও জনপদ বিভাগ পটিয়া মনসার টেক থেকে দোহাজারী সাঙ্গ সেতু সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নেয়। ২০০৮ সালে ২৫ জুন ইসলাম ট্রেডিং কনসোর্টিয়াম লি. (আইটিসিএল) নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ দেয়া হয়। পটিয়া ইন্দ্রপুল থেকে গিরিশ চৌধুরী বাজার পর্যন্ত ৫ কিলোমিটার পটিয়া বাইপাস সড়ক নির্মাণও ঐ প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত ছিল। পরে বাইপাসের কাজ শুরু করলে এলাকায় কিছু স্থাপনা উচ্ছেদে বাধার মুখে পড়লে আটকে যায় পুরো প্রকল্পের কাজ।

অধিগ্রহণ সংক্রান্ত জটিলতা শেষে শুধুমাত্র বাইপাস নির্মাণে ২০১৬ সালে নতুন করে দরপত্র আহ্বান করে সড়ক ও জনপদ বিভাগ। বাইপাস নির্মাণে ঐ বছরের ১ জুন রিলায়েবল বিল্ডার্স নামে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ দেয়া হয়। প্রায় ৬২ কোটি টাকার প্রকল্পটির ব্যয় আরো ১০ কোটি টাকা বাড়ানো হয়। এর আগে জমি অধিগ্রহণের জন্য ২৫ কোটি টাকাসহ প্রকল্পের ব্যয় নির্ধারিত হয় ৯৭ কোটি টাকা। কথা হলে দোহাজারী সড়ক ও জনপদ বিভাগের পটিয়া উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী শাহাদাত হোসেন বলেন, পটিয়ার ইন্দ্রপুল হতে কচুয়াই গিরিশ চৌধুরী বাজার পর্যন্ত ৫ দশমিক ২ কিলোমিটার সড়কে বাইপাস নির্মিত হচ্ছে। বর্তমান মহাসড়ক দিয়ে পটিয়া সদর অতিক্রম করতে একটি যানবাহনের যেখানে ৩০-৪০ মিনিট লাগতো বাইপাস চালু হলে সেখানে ৫-৭ মিনিট লাগবে। বর্তমানে বাইপাসের শেষ মুহূর্তের কার্পেটিংসহ আনুষঙ্গিক কাজ চলছে।

তিনি বলেন, আমরা ইতোমধ্যে বাইপাসটি পরীক্ষামূলকভাবে এক মাসের জন্য যানচলাচলের জন্য খুলে দিয়েছিলাম। তবে এখন শেষ পর্যায়ের কাজগুলো করার জন্য পুনরায় যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। আগামী জুন পর্যন্ত প্রকল্পের মেয়াদ থাকলেও এর আগেই কাজ শেষ হবে বলে আমরা আশা রাখছি। তিনি বলেন, বাইপাসটি প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করবেন। কাজ শেষ হলে উদ্বোধনের জন্য একটি সুবিধাজনক সময় নির্ধারণ করা হবে। পটিয়া পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পদক অধ্যাপক হারুনুর রশিদ বলেন, পটিয়া বাইপাসটি পুরো পটিয়ার চিত্র পাল্টে দেবে। একদিকে যানজট থেকে মুক্তি মিলবে, অন্যদিকে বাইপাসকে ঘিরে পটিয়া শহরের সম্প্রসারণ ঘটবে। এতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক দিয়ে চলাচলকারী লোকজনের ভোগান্তি কমবে। তাছাড়া পৌর সদরে বিশৃঙ্খলা কমবে, পরিচ্ছন্নতা বাড়বে, সড়কও নিরাপদ হবে। পটিয়ার মানুষের জীবনমানের উন্নতি ঘটবে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীএপ্রিল - ১৯
ফজর৪:১৫
যোহর১১:৫৮
আসর৪:৩১
মাগরিব৬:২৪
এশা৭:৪০
সূর্যোদয় - ৫:৩৩সূর্যাস্ত - ০৬:১৯
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৩৪৫০.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.