নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, মঙ্গলবার ২৮ জানুয়ারি ২০১৪, ১৫ মাঘ ১৪২০, ২৬ রবিউল আউয়াল ১৪৩৫
অনুমোদন স্থগিত হলেও স্বাভাবিকভাবেই চলছে খুলনার ২ বেসরকারি মেডিকেল কলেজ
খুলনা অফিস
অনুমোদন স্থগিতের পরও স্বাভাবিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে খুলনার সিটি ও আদ-দ্বীন আজিজ মেডিকেল কলেজ। এর মধ্যে আদ-দ্বীনে স্বাভাবিকভাবেই ক্লাস হচ্ছে। সিটি মেডিকেল কলেজে গত রোববারও ছাত্র ভর্তি হয়েছে। গতকাল সোমবার থেকে সেখানে ক্লাস শুরু হয়েছে। গত ২২ জানুয়ারি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে ভর্তি-সংক্রান্ত কমিটির সভায় বেসরকারি ১২টি মেডিকেল কলেজের অনুমোদন পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। পরে সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম জানান, পর্যালোচনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত অনুমোদন পাওয়া নতুন ১২টি মেডিকেল কলেজের সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। এই ১২টির মধ্যে খুলনায় রয়েছে পপুলার র্ফামার মালিকানাধীন সিটি মেডিকেল কলেজ ও আকিজ গ্রুপের মালিকানাধীন আদ-দ্বীন আকিজ মেডিকেল কলেজ।

স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বিগত মহাজোট সরকারের ৫ বছরে খুলনায় ৩টি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ অনুমোদন পেয়েছেন। এর মধ্যে চিকিৎসক ও শিল্পী গাজী মিজানুর রহমানের গাজী মেডিকেল কলেজ অনুমোদন পায় ২০১১ সালে। কলেজটি শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করেছে ২০১২ সালে। সর্বশেষ ২০১৩ সালে অনুমোদন পেয়েছে খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ ও আদ দ্বীন আকিজ মেডিকেল কলেজ। চলতি বছর থেকে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করেছে সিটি ও আদ দ্বীন কলেজ। এর মধ্যেই গত বুধবার তাদের কার্যক্রম স্থগিত করার নির্দেশ দেয়া হয়। গতকাল রোববার সিটি মেডিকেল কলেজে গিয়ে দেখা গেছে, শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম চলছে। গতকাল সোমবার সেখানে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ওরিয়েনটেশন ও ক্লাস শুরু হয়। এর জন্য তোড়জোড় চলছে সর্বত্র। কলেজের সচিব এস এম রায়হান আলমগীর জানান, প্রথম ব্যাচে ৫০টি আসনের মধ্যে ৪৯ জন ভর্তি হয়েছে। টিউশন ফি ১৬ লাখ টাকা। সোমবার থেকে ক্লাস শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, অনুমোদন বাতিলের সংবাদ ভিত্তিহীন। এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। সব কিছু স্বাভাবিকভাবেই চলছে। আদ দ্বীন আজিজ মেডিকেল কলেজে গিয়ে দেখা গেছে, প্রথম ব্যাচের ক্লাস চলছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রথম ব্যাচে কলেজে ৫০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছে। তাদের টিউশন ফি নেয়া হয়েছে ১৯ লাখ ৮০ হাজার টাকা করে। এছাড়া হোস্টেলসহ আনুষাঙ্গিক ফি আলাদা। কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. আবদুর রহমান জানান, কলেজের ক্লাস স্বাভাবিকভাবেই চলছে। কলেজের অনুমোদনের ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করতে তিনি রাজি হননি।
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত