নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, শনিবার ২৫ জানুয়ারি ২০২০, ১১ মাঘ ১৪২৬, ২৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১
আন্তর্জাতিক আদালতের আদেশ মায়ানমারের প্রত্যাখ্যান
জনতা ডেস্ক
নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগের আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের (আইসিজে) গত বৃহস্পতিবারের দেয়া আদেশ প্রত্যাখ্যান করেছে মায়ানমার। রোহিঙ্গাদের সুরক্ষায় আইসিজে বৃহস্পতিবার মায়ানমারের প্রতি ৪ দফা অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন, যেগুলো মায়ানমারকে বাধ্যতামূলকভাবে মেনে চলতে হবে। তারা এ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবে না।

তবে আইসিজের দেয়া আদেশে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে মায়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, এই আদেশে পরিস্থিতির বিকৃত চিত্র উপস্থাপন করা হয়েছে।

দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, তাদের গঠিত ইনডিপেনডেন্ট কমিশন অব ইনকোয়ারি (আইসিওই) রাখাইনে কোনো ধরনের গণহত্যার আলামত খুঁজে পায়নি। তবে রাখাইনে যুদ্ধাপরাধ সংঘটিত হয়েছে বলে স্বীকার করেছে দেশটির 'স্বাধীন কমিশন'। মায়ানমারের বর্তমান সরকারে গঠন করা আইসিওই কমিশনের বিরুদ্ধে রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত ও সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার অভিযোগ আছে। মানবাধিকার সংগঠনেরও সমালোচনা করেছে মায়ানমার। দেশটি বলছে, মানবাধিকার সংগঠনের নিন্দার কারণে কিছু দেশের সঙ্গে মায়ানমারের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত ও রাখাইনের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর গণহত্যা চালানোর অভিযোগে মায়ানমারের বিরুদ্ধে গাম্বিয়ার দায়ের করা মামলায় গত বৃহস্পতিবার ঘোষণা করা অন্তর্বর্তীকালীন রায়ে দেশটির প্রতি যে ৪ দফা আদেশ দেয়া হয় সেগুলো হলো- ১. রাখাইনে বসবাসরত যে সাড়ে ৬ লাখ রোহিঙ্গা মুসলিম ঝুঁকিতে রয়েছে তাদের সুরক্ষা দেয়ার জন্য মায়ানমার সরকারকে কার্যকরী ব্যবস্থা নিতে হবে। ২. মায়ানমারের সেনাবাহিনীর লাগাম টেনে ধরতে হবে। সেনাবাহিনী কিংবা অন্য যে কোনো ধরনের নিরাপত্তা বাহিনী যাতে গণহত্যা না চালায় কিংবা উস্কানি না দেয় সেজন্য সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ৩. রোহিঙ্গা গণহত্যা সংক্রান্ত যেসব অভিযোগ এসেছে, সে সংক্রান্ত তথ্য-প্রমাণ সংরক্ষণ করতে হবে। ৪. রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের সুরক্ষা দেয়ার জন্য মায়ানমার কী কী ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে- এ বিষয়ে আগামী ৪ মাসের মধ্যে একটি রিপোর্ট উপস্থাপন করতে হবে এবং এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন দেয়ার পর প্রতি ৬ মাসে একটি করে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। এসব প্রতিবেদন গাম্বিয়ার কাছে তুলে ধরা হবে।

এরপর রোহিঙ্গাদের ওপরে মায়ানমারের চালানো নৃশংসতাকে গণহত্যা আখ্যা দিয়ে গত বছরের ১১ নভেম্বর আইসিজেতে মামলা দায়ের করে গাম্বিয়া। আন্তর্জাতিক বিচারিক আদালতে মামলা করার প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল রোহিঙ্গাদের ওপর যে নির্যাতন হচ্ছে, সে ব্যাপারে কিছু করার জন্য বিশ্ববাসীকে তাগিদ দেয়া। নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগের পিস প্যালেসে গত বছরের ১০ থেকে ১২ ডিসেম্বর মামলার শুনানি চলে। ১০ ডিসেম্বর গাম্বিয়ার প্রতিনিধি দল আদালতে গণহত্যার বিষয়ে তাদের বক্তব্য উপস্থাপন করে। শুনানিতে গাম্বিয়ার পক্ষে মামলার প্রতিনিধিত্ব করেন দেশটির বিচারমন্ত্রী আবুবাকার তাম্বাদু। পরদিন ১১ ডিসেম্বর মায়ানমারের নেতৃত্ব দেন মায়ানমারের সরকার প্রধান অং সান সু চি। সেখানে তিনি তার দেশের বিরুদ্ধে আনা গণহত্যার অভিযোগ অস্বীকার করেন। ১২ ডিসেম্বর মামলার শুনানি শেষ হয়।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীঅক্টোবর - ২১
ফজর৪:৪৩
যোহর১১:৪৪
আসর৩:৫০
মাগরিব৫:৩১
এশা৬:৪৩
সূর্যোদয় - ৫:৫৮সূর্যাস্ত - ০৫:২৬
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৪৭১৫.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.