নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, শনিবার ২৫ জানুয়ারি ২০২০, ১১ মাঘ ১৪২৬, ২৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১
ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা অফিসারকে ঘেরাও
ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি
ঠাকুরগাঁও জেলায় জাতীয়করণে অন্তর্ভুক্ত হওয়া নতুন শিক্ষকদের কাছে এক সপ্তাহের মধ্যে পরপর দুটি নোটিশ দিয়ে ১৫ প্রকারের তথ্য ও কাগজ চেয়ে হয়রানি করায় ঠাকুরগাঁও জেলার সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে ঘেরাও করেছে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক কল্যাণ সমিতি ঠাকুরগাঁও জেলা শাখা। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে ঠাকুরগাঁও জেলার সদর উপজেলার জাতীয়করণ হওয়া নতুন ২০৭টি বিদ্যালয়ের ৮ শতাধিক শিক্ষক-শিক্ষিকা শিক্ষা অফিসারকে ঘণ্টাব্যাপী ঘেরাও করে রাখেন।

জানা যায়, ২০১৩ সালে ঠাকুরগাঁও জেলার সদর উপজেলার ২০৭টি রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ করা হয়। ঐ সময় প্রতিটি বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নিয়োগ যোগদানসহ অন্যান্য তথ্যাদি দাখিল করা হলেও ঠাকুরগাঁও জেলার সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গত ১৫ জানুয়ারি এক নোটিশে জাতীয়করণে অন্তর্ভুক্ত হওয়া নতুন শিক্ষকদের নিয়োগ যোগদান ও শিক্ষার সনদপত্র চায়। যথারীতি শিক্ষকরা তা দাখিল করেন।

এদিকে গত ২১ জানুয়ারি ২য় দফা নোটিশে সকল বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের কাছে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির প্রথম রেজুলেশন, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির কপি, লিখিত-মৌখিক পরীক্ষার চূড়ান্ত রেজুলেশন,স র্বশেষ এমপি কপি, উপজেলা শিক্ষা কমিটির অনুমোদন কপিসহ ১১ প্রকারের তথ্য ও কাগজ চেয়ে ২৬ জানুয়ারির মধ্যে দাখিল করতে বলা হয়। এতে শিক্ষকরা ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েন এবং ২৩ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার বিকেলে ঠাকুরগাঁও জেলার সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে ঘেরাও করে বর্ণিত কাগজপত্র দাখিলের কারণ জানতে চায়। জবাবে দুদকের অনুসন্ধানের স্বার্থে তা চাওয়ার কথা জানালে শিক্ষকরা তা দাখিলে অপারগতা প্রকাশ করেন। এ সময় বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক কল্যাণ সমিতির জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম, সদর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সুফিয়ান সিদ্দিক খান, সদস্য আব্দুল মান্নান সহ শিক্ষক-শিক্ষিকারা উপস্থিত ছিলেন। শিক্ষক নেতা আব্দুল মান্নান বলেন, দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামের পরে সরকার সারা দেশেরে ন্যায় সদর উপজেলার ২০৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ করেন। শিক্ষকদের হালনাগাদ তথ্য যাচাই বাছাই শেষে তাদের গেজেট প্রকাশ করা হয় এবং তারা সরকারি সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে আসছেন। কাজেই জাতীয়করণের ৭ বছর পর কোনো ব্যক্তির অভিযোগের প্রেক্ষিতে আমরা পুরাতন কাগজপত্র দাখিলে বাধ্য নই। এতে আমরা হয়রানির শিকার হচ্ছি, সেই সাথে বর্ণিত তথ্য দাখিলে অপারগতা প্রকাশ করেছি। এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও জেলার সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রুনা লায়লা শিক্ষকদের জানান, দুর্নীতি দমন কমিশন দিনাজপুর কার্যালয়ের এক পত্রের প্রেক্ষিতে শিক্ষকদের কাছে বর্ণিত কাগজপত্র আবারো চাওয়া হয়েছে। সেক্ষেত্রে তিনি শিক্ষকদের হয়রানি না করার প্রতিশ্রুতি দেন।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীনভেম্বর - ৪
ফজর৫:০৬
যোহর১১:৪৯
আসর৩:৩৬
মাগরিব৫:১৪
এশা৬:৩২
সূর্যোদয় - ৬:২৬সূর্যাস্ত - ০৫:০৯
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৪৯২৫.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.