নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, শুক্রবার ১২ জানুয়ারি ২০১৮, ২৯ পৌষ ১৪২৪, ২৩ রবিউস সানি ১৪৩৯
আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা ২০১৮
কম বেচাকেনায় লোকসানে বিক্রেতারা ভিড় নেই খাবারের স্টলগুলোতে
মো. কামরুল হাসান
শীতের হানায় গত কয়েকদিন ধরেই ছন্দপতন ঘটেছে এবারের বাণিজ্যমেলায়। তীব্র শীতে বিকেলের পর পরই ক্রেতা-দর্শনার্থীদের মেলা প্রাঙ্গণে থাকা দুষ্কর হয়ে উঠেছে। আর সন্ধ্যার পর রীতিমতো প্রায় ফাঁকা হয়ে পড়ছে মেলার বিশাল প্রান্তর। আর এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে কেনাকাটাতেও। বিক্রেতারা বলছেন, কয়েকদিন ধরেই ক্রেতারা খরায়, লোকসান গুণতে হচ্ছে তাদের। যে অর্থ ব্যয় করে তারা স্টল বা প্যাভিলিয়ন নিয়েছেন সেটা পণ্য বেচাবিক্রি থেকে উঠে আসছে না, ফলে পুঁজি ফেরত না আসার পাশাপাশি ক্রমাগত লোকসানেই কাটছে দিন।

এদিকে গতবারের মেলায় খাবারের স্টলগুলোতে সাধারণ মানুষের যথেষ্ট আনাগোনা দেখা গেলেও এবার চিত্র একেবারেই এর উল্টো। খাবার স্টল সংশ্লিষ্টরা জানালেন, গত বছর পত্রপত্রিকায় খাবারের স্টলগুলোতে গলাকাটা দাম আদায়ের ফলে এবার কাস্টমার একেবারেই কমে গেছে। ফলে মেলায় ঘুরে ঘুরে কেনাকাটার পর খাবারের স্টলগুলোতে ক্রেতা-দর্শনার্থীদের ঢুঁ মারার যে প্রবণতা ছিল সেটা যেন এখন একেবারেই নেই।

গতকাল বৃহস্পতিবার ছিল ২৩তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলার একাদশতম দিন। এদিন সরেজমিনে মেলা ঘুরে দেখা গেছে, শীতের কারণে সকালে মেলা অভিমুখে দর্শনার্থীদের উপস্থিতি ছিল বেশ কম। দুপুরের দিকে রোদ ওঠার পর ক্রেতা-দর্শনার্থীর সংখ্যা কিছুটা বাড়লেও মেলার অভ্যন্তরে বিশাল এলাকা বেশ ফাঁকাই ছিল। আর বিকেলের পর সন্ধ্যা ঘনিয়ে এলে সেই ভিড়ও কমতে শুরু করে। এর ভেতরেই কিছুটা ভিড় ছিল নারীদের প্রসাধনী, ক্রোকারিজ, শিশুদের খেলনা আর পোশাক পরিচ্ছদের স্টল ও প্যাভিলিয়নে। বিশেষ করে রান্না ঘরের ক্রোকারিজ এবং হালকা জিনিসপত্রের স্টলগুলোতেই নারীদের ছিল মোটামুটি সরব উপস্থিতি। পণ্য ঘুরে ঘুরে দেখা এবং যাচাই-বাছাইয়ের পর কেনাকাটাও ছিল চোখে পড়ার মতো। আর এসব স্টল ও প্যাভিলিয়নে পণ্যের দাম ছিল ৫০ টাকা থেকে শুরু করে ৮ হাজার টাকা পর্যন্ত। তবে বড় বড় প্যাভিলিয়ন এবং খাবারের স্টলগুলোতে দর্শনার্থীদের উপস্থিতি ছিল একেবারেই কম। মিয়াকো পণ্যের ডিলার আকিব এন্ড সামী ইলেকট্রনিঙ্রে প্যাভিলিয়নের দায়িত্বে থাকা মো. মিজান তালুকদার দৈনিক জনতাকে বলেন, বেচাকেনা তেমন ভালো নয় এখনও। গতবারের একই সময়ের তুলনায় অবস্থা খুবই খারাপ। বেশি শীত পড়েছে বলে দর্শনার্থী যেমন কম তেমনি ক্রেতারাও কেনাকাটায়ও তেমন যেন উৎসাহী নন। দেশের অর্থনীতি ভালো নয় বলেই সম্ভবত তারা কেনাকাটা করছেন না। এছাড়া আগারগাঁও এলাকায় ভীষণ যানজট হয়, এটাও অনেকে এড়িয়ে চলতে চায়। হয়তো এজন্যও এবার আমরা ক্রেতা পাচ্ছি না। আশা করছি আগামী দিনগুলোতে অবস্থার পরিবর্তন ঘটবে, নাহলে লোকসান নিয়েই আমাদের ফেরত যেতে হবে। এদিকে খাবারের স্টলগুলোতে খাদ্য রসিক ক্রেতাদের ভির নেই। প্রতিবারই খাবারের এসব স্টলগুলোর প্রতি সব বয়সী ক্রেতা-দর্শনার্থীর বড় ধরনের আগ্রহ থাকে। এবার সেটা দেখা যায়নি। প্রতিবছর বাণিজ্যমেলায় এসব খাবারের স্টলে খাবারের দামে ক্রেতা-দর্শনার্থীদের গলাকাটার উৎসব চলে। খাবারের প্রকৃত দামের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি দাম নেয়ার প্রবণতা থাকে। সেই সঙ্গে ক্রেতারা যেমন লাঞ্ছিত ও হেনস্থার শিকার হন তেমনি হন অপমানিত। যে কারণে মেলা শুরুর পর এবার প্রথম থেকেই ক্রেতা-দর্শনার্থীরা এসব খাবার স্টল সচেতনভাবে এড়িয়ে চলেছেন। এর বাইরে কেউ কেউ আবার মেলায় দুটি নির্দিষ্ট খাবারের জোনের বাইরে আরো কিছু খাবারের স্টল দেয়ার সমালোচনা করে এটাও একটি কারণ বলে চিহ্নিত করেছেন। এ বিষয়ে কথা হয় অরিজিন্যাল হাজীর বিরিয়ানী প্যাভিলিয়নের স্বত্বাধিকারী হারুনুর রশিদ হারুনের সঙ্গে। তিনি দৈনিক জনতাকে বলেন, খাবারের নির্দিষ্ট জোনের বাইরে খাবারের স্টল বসানোর কারণে আমরা যারা টেন্ডারের মাধ্যমে স্টল নিয়েছি তারা বিপদে পড়ে গেছি। আমাদের ক্রমাগত লোকসানে পড়তে হচ্ছে। আগে মেলার পূর্ব-পশ্চিম দিকে খাবারের নির্দিষ্ট দুটি জোন ছিল। এবার এই নিয়ম ভঙ্গ করে আরো কিছু স্টল মেলাজুড়ে দেয়া হয়েছে। এ নিয়ে আমি মৌখিকভাবে অভিযোগ করেছি মেলা কর্তৃপক্ষের কাছে। তিনি জানান, এবার খাবারের দাম বেশ সহনীয়। বাইরে খাবারের যে দাম মেলার ভেতরেও সেটা একই। গতবার দাম নিয়ে অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পত্রপত্রিকায় অনেক লেখালেখি হয়েছিল যার প্রভাব এবারের মেলায় পড়েছে, কিন্তু এবার দাম বাড়ানো হয়নি।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীজানুয়ারী - ২০
ফজর৫:২৩
যোহর১২:১০
আসর৪:০১
মাগরিব৫:৪০
এশা৬:৫৬
সূর্যোদয় - ৬:৪২সূর্যাস্ত - ০৫:৩৫
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
২২৪৯.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.