নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, শুক্রবার ১২ জানুয়ারি ২০১৮, ২৯ পৌষ ১৪২৪, ২৩ রবিউস সানি ১৪৩৯
সক্রিয় মোবাইল ব্যাংকিং হিসাবের চেয়ে বন্ধ হিসাবের সংখ্যা বেশি
এফএনএস
টাকা লেনদেনে দেশে আশাতীতভাবে জনপ্রিয়তায় মোবাইল ব্যাংকিং। বর্তমানে সাধারণ মানুষ এ সেবা ব্যবহার করেই পরিবার পরিজন ও নিকটাত্মীয়ের কাছে বেশি টাকা পাঠাচ্ছেন। বর্তমানে দেশে মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের গ্রাহক সংখ্যা ৫ কোটি ৮৫ লাখ ছাড়িয়েছে। তবে তার মধ্যে ৩ কোটি ৫৪ লাখ ৩৫ হাজার হিসাবই বন্ধ রয়েছে। বাকি ২ কোটি ৩১ লাখ সক্রিয় হিসাব দিয়ে গত নভেম্বর মাসে গড়ে লেনদেন হয়েছে ৯১৯ কোটি টাকা। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, হিসাব খোলা ও পরিচালনায় কড়াকড়ি আরোপের ফলে সক্রিয় হিসাবের সংখ্যা কমে গেছে। ব্যাংকিং খাত সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, গ্রাহকরা আগে মোবাইল ব্যাংকিং সেবায় একাধিক হিসাব চালু রাখতে পারতেন। কিন্তু সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, একজন ব্যক্তি একটি সিম দিয়ে যেকোন মোবাইল ব্যাংকিং সেবায় একটি মাত্র হিসাব চালু রাখতে পারবেন। নির্দেশনা মোতাবেক মোবাইল সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের তথ্য হালনাগাদ করায় নিষ্ক্রিয় হিসাবের সংখ্যা বেড়েছে। যদিও বন্ধ হিসাবের সংখ্যা বাড়লেও দৈনিক গড় লেনদেন কমেনি। বরং আগের তুলনায় বেড়েছে। সমাপ্ত বছরের নবেম্বরে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে প্রতিদিন গড়ে ৯১৯ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। এ লেনদেনের পরিমাণ আগের মাসের তুলনায় ৩ শতাংশ বেড়েছে। যদিও তার আগের মাস অক্টোবরে তার আগের মাসের তুলনায় ২৪ শতাংশ বেড়েছিল। বর্তমানে সময়ে সক্রিয় হিসাব কমেছে ১৭ দশমিক ৩৫ শতাংশ। আর ৩ দশমিক ৫২ শতাংশ কমেছে মোট লেনদেন। তবে নভেম্বরে মোট নিবন্ধিত গ্রাহকের সংখ্যা কিছুটা বেড়েছে। অক্টোবরে মোট ৫৭৭ লাখ নিবন্ধিত এমএফএস হিসাব থাকলেও নভেম্বরে এসে তা দাঁড়িয়েছে ৫৮৫ লাখে। ওই সময়ে মোট লেনদেন হয়েছে ২৭ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকা।

সূত্র জানায়, মোবাইল ব্যাংকিংয়ে মোট এজেন্টের সংখ্যা প্রায় ৮ লাখ। বর্তমানে মোট ১৮টি ব্যাংক মোবাইল ব্যাংকিংয়ের সঙ্গে জড়িত আছে। নভেম্বরে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে রেমিটেন্স আসা কমেছে ১৯ দশমিক ৪৯ শতাংশ। ক্যাশ ইন ট্রানজেকশন হয়েছে ১১ হাজার ৮২৩ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। ক্যাশ আউট ট্রানজেকশন হয়েছে ১০ হাজার ৪৪৫ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। পিটুপি ট্রানজেকশন হয়েছে ৪ হাজার ২২২ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। বেতন পরিশোধ করা হয়েছে ৩৯৬ কোটি টাকা। বিভিন্ন বিল পরিশোধ করা হয়েছে ১৯১ কোটি টাকার। এমএফএসের মাধ্যমে অবৈধভাবে রেমিটেন্স আসা ঠেকাতে গত বছরের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ ব্যাংক এক নির্দেশনায় লেনদেন সীমা কমিয়ে দেয়। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, একটি এমএফএস হিসাব থেকে এক দিনে এখন সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা অর্থ উত্তোলন করা যায়, এটি আগে ছিল ২৫ হাজার টাকা।

সূত্র আরো জানায়, নিয়ম অনুযায়ী কোন এ্যাকাউন্ট থেকে টানা ৩ মাস কোন ধরনের লেনদেন না হলে তা ইন-এ্যাকটিভ বা নিষি্ক্রয় এ্যাকাউন্ট হিসেবে বিবেচিত হয়। আর ৩ মাসের মধ্যে একটি লেনদেন হলেই তা সক্রিয় হিসেবে বিবেচিত। অবশ্য বড় কোন অনিয়ম না পাওয়া গেলে এ্যাকাউন্ট বন্ধ করে না ব্যাংক। তবে সম্প্রতি মোবাইল ব্যাংকিং সেবায় অপব্যবহার ঠেকাতে বাংলাদেশ ব্যাংক বেশকিছু নির্দেশনা দিয়েছে। তাতে হিসাব খোলা ও পরিচালনা এবং লেনদেনে আরো বেশি কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়, এখন একজন ব্যক্তি একটি সিম দিয়ে যেকোন মোবাইল ব্যাংকিং সেবায় একটি মাত্র হিসাব চালু রাখতে পারবেন। ওই নির্দেশনার পর যাদের একাধিক হিসাব ছিল তা বন্ধ করা হয়। ওই অবস্থায় নভেম্বর মাস শেষে সক্রিয় হিসাবের সংখ্যা ১৭ দশমিক ৩৫ শতাংশ কমে দাঁড়ায় ২ কোটি ৩১ লাখ ৩১ হাজার। আর বন্ধ হিসাবের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ৫৪ লাখ ৩৫ হাজার। তারমধ্যে সবচেয়ে বেশিসংখ্যক বন্ধ হিসাবের সংখ্যা মোবাইল ব্যাংকি প্রতিষ্ঠান বিকাশের।

এদিকে অবৈধ আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে জড়িত থাকায় বাংলাদেশ ব্যাংক মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বিকাশের ২ হাজার ৮৮৭টি এজেন্টের কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে। একই সঙ্গে এক হাজার ৮৬৩টি গ্রাহক হিসাব বন্ধেরও নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। তাছাড়া সম্প্রতি হুন্ডির মাধ্যমে রেমিটেন্সের অর্থ এনে তা সারাদেশে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দেয়ার অভিযোগে বিকাশের ৮ এজেন্টকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ অনুসন্ধান বিভাগ (সিআইডি)।

অন্যদিকে এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র শুভঙ্কর সাহা জানান, নতুন নির্দেশনার আলোকে মোবাইল সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের তথ্য হালনাগাদ করায় নিস্ক্রিয় বা বন্ধ হিসাবের সংখ্যা বেড়েছে। সাময়িক সময়ের জন্য সক্রিয় হিসাবের সংখ্যা কমলেও ভবিষ্যতের জন্য তা ভাল দিক।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীএপ্রিল - ২৩
ফজর৪:১০
যোহর১১:৫৭
আসর৪:৩১
মাগরিব৬:২৬
এশা৭:৪৩
সূর্যোদয় - ৫:৩০সূর্যাস্ত - ০৬:২১
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৩০৭৫.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.