নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, বুধবার ১১ জানুয়ারি ২০১৭, ২৮ পৌষ ১৪২৩, ১২ রবিউস সানি ১৪৩৮
বুড়িগঙ্গা দখলমুক্ত অভিযানে ধীরগতি
দখল ও দূষণের কবলে পড়ে বাংলাদেশের অধিকাংশ নদ-নদীর অবস্থা নাজুক- যা বলাই বাহুল্য। এর মধ্যে রাজধানী ঢাকার প্রাণ বুড়িগঙ্গা নদীর অবস্থা এতটাই শোচনীয় যে, নদীটি প্রাণ হারিয়েছে অনেক আগে। বুড়িগঙ্গা নিয়ে নানা সময়ে পত্রপত্রিকার প্রতিবেদনে যে চিত্র পরিলক্ষিত হয়েছে তাও অত্যন্ত উৎকণ্ঠার। বিদ্যমান এ পরিস্থিতিতে সমপ্রতি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও দখলমুক্ত করার মাধ্যমে বুড়িগঙ্গা নদীকে হাতিরঝিলের আদলে সৌন্দর্যম-িত করতে প্রকল্প গ্রহণ করায়, তা প্রশংসিতও হয়েছিল। বাস্তবতা হলো, কর্তৃপক্ষ ১২ দিন আগে এ প্রকল্পের আওতায় দখলকৃত মাটি অপসারণের যে কাজ শুরু করেছে, তা অত্যন্ত ধীরগতির বলে অভিযোগ উঠেছে। সঙ্গত কারণে, এ কাজ কবে নাগাদ শেষ হবে তা নিয়েও সৃষ্টি হয়েছে সংশয়। অথচ যথাসময়ে বুড়িগঙ্গা নদী দখলমুক্ত হবে, এমনটিই সবার প্রত্যাশা।

জানা যায়, বিআইডাবিস্নউটিএ ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নিজস্ব তত্ত্বাবধানে চাঁদনীঘাট এলাকা থেকে দখলকৃত মাটি অপসারণের কাজ শুরু হওয়ার ১২ দিন পার হলেও কাজের দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। একটি জাতীয় পত্রিকায় উল্লেখ করা হয়েছে, বিআইডাবিস্নউটিএর একটি মাটি কাটার যন্ত্র (ভেকু) দিয়ে নদীর ভেতরের দখলকৃত অংশের মাটি কেটে ট্রাকে তোলা হচ্ছে। ঐ মাটি গাবতলীতে সিটি করপোরেশনের নির্ধারিত জায়গায় নিয়ে ফেলা হচ্ছে। একটি ভেকু দিয়ে মাটি কাটা হলেও এটাকে ঠিকভাবে কাজে লাগানো যাচ্ছে না। যে জায়গা থেকে মাটি তোলা হচ্ছে সেখানে নদীর সীমানা থেকে প্রায় ৫০ ফুট নদীর ভেতরে আর পানির নিচ থেকে পায় ৬০ ফুট উঁচু পর্যন্ত মাটি দিয়ে ভরাট করে এখানে গাছ লাগানো হয়েছিল। আর এভাবে কাজ চলতে থাকলে সেটা অনেক সময়সাপেক্ষ বলেও সংশ্লিষ্টরা স্বীকার করেছেন। আমরা বলতে চাই, যখন দখলদাররা নদীগর্ভে দোকানপাটসহ বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করেছে তখন তা কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কর্তব্য হওয়া দরকার প্রয়োজনীয় বাজেট বরাদ্দ দিয়েই এ কাজে গতি ফিরিয়ে আনার কার্যকর উদ্যোগ নেয়া।

কয়েক বছর ধরে ঢাকার আশপাশের নদ-নদী ও জলাশয়গুলো উদ্ধারে অভিযান চালিয়ে আসছে কর্তৃপক্ষ। কিন্তু শুরুতে বেশ তোড়জোড় লক্ষ্য করা গেলেও অজ্ঞাত কারণে কিছুদিন পরে তা থেমে যায়। আবার এমনও ঘটেছে, উচ্ছেদ অভিযানের পরপরই আবার বেদখল হয়ে গেছে। এতে বিআইডাবিস্নউটিএর অসাধু কর্মকর্তারা জড়িত বলেও অভিযোগ রয়েছে। এসব দিক আমলে নিয়েই সম্প্রতি শুরু হওয়া এই দখলমুক্ত অভিযান সফল করতে হবে। অভিযানটি যেন লোক দেখানো না হয়। অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের মহড়াও দেশবাসী আর দেখতে চায় না। বুড়িগঙ্গা নদী নির্দিষ্ট সময়ে দখলমুক্ত করতে যথাযথ উদ্যোগ জারি রাখতে হবে সংশ্লিষ্টদেরই।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীনভেম্বর - ১৩
ফজর৫:১১
যোহর১১:৫৩
আসর৩:৩৮
মাগরিব৫:১৭
এশা৬:৩৪
সূর্যোদয় - ৬:৩২সূর্যাস্ত - ০৫:১২
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৩৭৮৯.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.